বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ৬০টির বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে মিয়ানমার সীমান্তে আতঙ্ক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

এই সময়ে নবজাতকের যত্নে যা করণীয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক :

শীতকালে সর্দি, ফ্লু এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রাপ্তবয়স্করা ঠান্ডা আবহাওয়ার সাথে লড়াই করতে পারে। তবে দীর্ঘ তিনটি শীতের মাস পেরিয়ে যাওয়া নবজাতকের পক্ষে কষ্টকর। নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। এছাড়াও তাদের ত্বক নরম থাকে যা ডার্মাটাইটিস এবং ফুসকুড়ি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই শীতকালে আপনার শিশুর অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া জরুরী। এমনকি যদি তারা সমস্ত সময় বাড়ির অভ্যন্তরে থাকে তবুও কিছু স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার জন্য অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত।

গোসল:
স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য পরিষ্কার করা এবং গোসল করানো গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালে রৌদ্যজ্বল দিনে আপনার শিশুকে হালকা গরম পানিতে গোসল করান। অন্যান্য দিনে কেবল একটি ভেজা তোয়ালে নিন এবং কাপড় পরিবর্তন করার আগে তাদের শরীর মুছুন। এটি অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

তেল মালিশ:
শীতকালের শীতল এবং শুষ্ক বাতাস বাচ্চাদের ত্বকের সমস্ত আর্দ্রতা শুষে নেয়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে শীতের দিনে কমপক্ষে ২ বার আপনার শিশুকে তেল ম্যাসাজ করুন। তেল শরীরের গভীরতম টিস্যুগুলোতে শোষিত হয় ফলে ময়েশ্চারাইজ থাকে। অয়েলিং শিশুর হাড়কেও শক্তিশালী করে তোলে। ম্যাসাজ করতে আপনি গরম সরিষা বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।

শিশুকে কিছুটা সময় রোদে রাখুন:

সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর সবচেয়ে ভালো উৎস। শক্তিশালী হাড় এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে সূর্যের আলোতে। জামাকাপড় পরিবর্তন বা আপনার বাচ্চাকে গোসল করানোর পরে তার সাথে কিছুটা সময় রোদে কাটান। সূর্যের আলো জীবাণু ধংস করে শিশুর শরীরে উষ্ণতা সরবরাহ করে।

শিশুকে কয়েকটি স্তরবিশিষ্ঠ পোশাক পড়ান:

নবজাতকদের কয়েক স্তরবিশিষ্ঠ পোশাক পড়িয়ে রাখুন। এটি তাপমাত্রার পরিবর্তিত পরিবর্তন অনুসারে উষ্ণ রাখতে সহায়তা করবে। দীর্ঘ হাতা শার্ট এবং তারপরে জ্যাকেট, ক্যাপ যুক্ত করতে পারেন। বাচ্চাদের জন্য সর্বদা নরম পোশাক কিনুন এবং কখনও তাদের মাথা ঢেকে রাখতে ভুলবেন না।

ভারী কম্বল এড়িয়ে চলুন:

শীতের সময় বাচ্চাকে ভারী কম্বলে ঢেকে রাখা যথাযথ বলে মনে হতে পারে তবে বিশ্বাস করুন তা নয়। ভারী কম্বল তাদের উষ্ণ রাখবে তবে এগুলো অস্বস্তিকর হতে পারে। কারণ এতে শিশুরা তাদের হাত এবং পা সরানোতে অসুবিধার মুখোমুখি হবে। হালকা কম্বল ব্যবহার এবং ঘরের তাপমাত্রাকে সর্বোত্তম রাখা উচিত।

ভ্যাকসিন:
শীতকালীন রোগগুলো থেকে নবজাতকের সুরক্ষা দেওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো তাদের টিকা দেওয়া। তাদের ভ্যাকসিনের শিডিয়ল কঠোরভাবে অনুসরণ করা উচিত। এছাড়াও যদি আপনি অসুস্থ হন, তবে শিশু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত দুর্বল এবং এমনকি অল্প অযত্নও ক্ষতিকারক হতে পারে।

ভয়েস/ জেইউ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION